মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেছেন, তার অনুরোধের প্রতি সম্মান জানিয়ে ইরান আট নারী বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে তেহরান এই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে একে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘মনগড়া’ বলে উল্লেখ করেছে।
বার্তা সংস্থা Reuters-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “খুবই ভালো খবর। আট নারীর মধ্যে চারজনকে তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি দেওয়া হবে এবং বাকি চারজনকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।” তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে ইরান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে ইরানের বিচার বিভাগের সংবাদ সংস্থা Mizan News Agency ট্রাম্পের বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করে জানিয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ভ্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে বক্তব্য দিচ্ছেন এবং এটি তার ‘মুখরক্ষার চেষ্টা’।
মিজান আরও দাবি করেছে, ইরানবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর ছড়ানো ভুল তথ্যকে বিশ্বাস করে ট্রাম্প প্রথমে মৃত্যুদণ্ড বাতিলের আহ্বান জানান এবং পরে সেটিকেই বাস্তব হিসেবে উপস্থাপন করেন। তাদের মতে, তেহরান এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং কোনো ধরনের ছাড়ও দেয়নি।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার জন্য যোগাযোগ করা হলেও The White House বা ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।