২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সেমিফাইনালে ভারতের সঙ্গে শেষ মুহূর্তে হেরে যাওয়ার স্মৃতি রিওয়াইন্ড করলে দেখা যায়, ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হেরেছিল। ২২ বছর পর সেই স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের নিয়মরক্ষার ম্যাচে মতিউর মুন্নার উত্তরসূরি শেখ মোরসালিনের গোলে জয় পায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ফুটবল দলকে নতুন করে প্রাণবন্ত করেছে প্রবাসী খেলোয়াড়রা। কানাডা প্রবাসী শমিত সোম, ইতালি প্রবাসী ফাহামিদুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জায়ান আহমেদ জাতীয় দলকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন। জাতীয় দলের সাবেক তারকা ফুটবলার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু বলেন, “সত্যি বলতে, এখনকার ফুটবল অনেক কঠিন। সেই কঠিন খেলাটি সহজ করে খেলছে হামজা, শমিতরা।”
সাবেক কেন্দ্রব্যাক কায়সার হামিদ বলেন, “অনেকদিন পর এমন একটি ম্যাচ দেখলাম। মনটা ভরে গেল। ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর সক্ষমতা অর্জন করেছি।”
আবাহনীর সাবেক উইঙ্গার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু যোগ করেন, “দীর্ঘ ২২ বছর পর আমরা ভারতকে হারালাম। এটি আমাদের ফুটবলের জন্য খুবই ভালো খবর।”
বাংলাদেশের নতুন সংযোজিত দল এবং প্রবাসী খেলোয়াড়দের কারণে জাতীয় ফুটবলের দৃষ্টিকোণ ও সক্ষমতা এক নতুন মাত্রা পেয়েছে।