মানবিক দৃষ্টিতে ওসি লিয়াকত আলীর কঠোর বিচারের বানী নির্ভৃতিতে কাঁধে, ৩ বাচ্চার দায় নিবে কে??

Date: 2025-11-20
news-banner

জেলা প্রতিনিধি:


 রিক্সা চালাতে না বলার জেরধরে নীরহ মুছাকে রাতবর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ গ্যারেজ মালিক রাকিবদের বিরুদ্ধে। রাতবর অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতন, রক্তাক্ত জখম বিচারের নামে কালখেপন ও নজরবন্দীর মত করে গৃহবন্দী রাখে। বিচারের দায়িত্ব নিয়ে পক্ষ অবলম্বনের অভিযোগে আত্মহত্যার পেছনে ইকবালের নীরবতা দায়ী বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার শত শত নারী পুরুষ জানান। 

 তারা আরো বলেন, ইকবাল মিয়া বিএনপির নেতা তার বিরুদ্ধে কথা বলার লোক নেই। তিনি গ্যারেজ মালিক দেখে অপর মালিকের পক্ষ নিয়েছে। গ্যারেজ মালিক রাকিব ও ইকবাল সম অপরাধী।
 তাদের নির্যাতন ও হুমকি, গৃহবন্দিত্ব করে রাখার জন্যই মুছা মিয়া ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেন। শারিরীক নির্যাতনের আঘাত মাথা, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চিহ্ন রয়েছে। অত্যাচারীদের কবলে মুছার আত্মাহত্যা, তার ৩ সন্তানের কি অবস্থা হবে। 
 বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে ওসি লিয়াকত আলীর কঠোর ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল। বন্দরে রিক্সা চালকের আত্মহত্যা নিয়ে চলছে নানা নানা গুঞ্জন। এটা আত্নহত্যা নাকি বিচারের কালখেপনে প্রতিফলন। রাতবর অমানবিক নির্যাতনের পর বিভিন্ন প্রকার অপবাদ দেয়।

 এমনকি চিকিৎসা করতে যেতে দেয়নি। গ্যারেজ মালিক রাকিবসহ তার বাহিনী রাতবর অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতন করে চালক মুছাকে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে কৌশল আটেন ইকবাল মিয়া। আত্নসম্মানে আঘাত হানে মুছার। 

যেকারনে আত্নহত্যার পথ বেছে নেয় মুছা। মুছার আত্নহত্যার পেছনে ইকবালের অনেকটা নীরবতায় দায়ী। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পুলিশ পরিদর্শক মোঃ লিয়াকত আলীর মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা সচেতন মহলের।

Leave Your Comments