পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী মারবার্গ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমো অঞ্চলে ৯ জনের দেহে ভাইরাসটি ধরা পড়েছে। খবর জানিয়েছে আলজাজিরা।
ভাইরাল হেমোরেজিক ফিভারের সন্দেহে নেওয়া পরীক্ষায় মারবার্গ ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। এটি ইবোলা ভাইরাসের সমগোত্রীয় এবং বিশেষজ্ঞরা এটিকে আরও প্রাণঘাতী হিসেবে বিবেচনা করছেন।
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য ও সংক্রমণ:
-
মারবার্গ ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা টিকা এখনও নেই।
-
আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত জ্বর, তীব্র র্যাশ এবং রক্তক্ষরণের শিকার হন।
-
ভাইরাসের মূল উৎস হলো বাদুড়। সংক্রমণ ছড়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল বা দূষিত বস্তু স্পর্শের মাধ্যমে।
-
মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটে দৈহিক তরল, রক্ত বা বীর্য স্পর্শের মাধ্যমে। সুস্থ হওয়ার পরও কয়েক মাস পর্যন্ত ভাইরাস ছড়াতে পারে।
-
মারবার্গ ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৬৭ সালে জার্মানি ও সার্বিয়ায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করেছে যে, বাদুড়ের বসবাসকৃত গুহা বা খনিতে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।