ডিজিটাল লেনদেন ও ব্যয় সাশ্রয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্র পেনি (এক সেন্টের কয়েন) উৎপাদন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই কয়েনগুলি এখনও প্রচলনে থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ ২৩০ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে এক সেন্টের মুদ্রা ‘পেনি’ উৎপাদন বন্ধ করতে যাচ্ছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) ফিলাডেলফিয়া মিন্টে এই মুদ্রার শেষ ব্যাচ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে ১৭৯৩ সাল থেকে টানা চলমান পেনি উৎপাদনের ইতি টানা হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের মতে, এই পদক্ষেপে প্রতিবছর প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে। কারণ বর্তমানে একটি পেনি তৈরি করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৪ সেন্ট, যা এক দশক আগে তুলনায় দ্বিগুণ। এছাড়া, ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধির কারণে এক সেন্টের ব্যবহার ধীরে ধীরে কমে এসেছে।
যদিও নতুন পেনি তৈরি বন্ধ হচ্ছে, তবে পূর্বে থাকা কয়েনগুলো বাজারে চলবে। তবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো দাম সমন্বয় করতে শুরু করেছে। রিচমন্ড ফেডারেল রিজার্ভের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এ কারণে ক্রেতাদের বার্ষিক অতিরিক্ত খরচ পড়তে পারে প্রায় ৬ মিলিয়ন ডলার।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ সেন্ট মূল্যের নিকেল মুদ্রার দিকে নজর দেয়া হচ্ছে। নিকেলের উৎপাদন খরচ প্রায় ১৪ সেন্ট, যা তার মানের প্রায় তিন গুণ। এর উৎপাদন বন্ধ হলে ভোক্তাদের বার্ষিক অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ডলার।