ঢাকা: আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ছোট দলের বড় নেতাদের ভোট চ্যালেঞ্জ বাড়তে পারে নতুন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ এর কারণে। এই নতুন আইন অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিলেও প্রার্থীদের অবশ্যই নিজ দলের প্রতীকে ভোট দিতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বড় দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানো না গেলে ছোট দলের নেতাদের জন্য জয়ী হওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠবে। বিশেষ করে যারা বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিচ্ছেন, তারা ভোটারদের কাছে নিজের দলের প্রতীক পরিচিত করানোয় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন।
ঢাকাসহ বিভিন্ন আসনে এমন নেতাদের মধ্যে রয়েছেন:
-
ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৩, নির্বাচনি প্রতীক: সিংহ
-
অ্যান্ডালিব রহমান পার্থ, ঢাকা-১৭, নির্বাচনি প্রতীক: গরুর গাড়ি
-
সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা-৭, নির্বাচনি প্রতীক: উদীয়মান সূর্য
-
জোনায়েদ সাকির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, নির্বাচনি প্রতীক: মাথাল
-
মাহমুদুর রহমান মান্না, বগুড়া-২, নির্বাচনি প্রতীক: কেটলি
এছাড়া নিবন্ধনহীন ছোট দলগুলোর নেতারা বিএনপির প্রতীকে ভোট দিতে পারবে, ফলে তাদের জন্য সমস্যাটা তুলনামূলকভাবে কম।
গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, “নতুন বিধান আমরা মানি না। আগের নিয়ম ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে যাব।”
জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, “আমাদের দলের নিবন্ধন না থাকায় নির্বাচনি প্রতীক কোনো বাধা হবে না। আমরা বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করব।”
রাজনীতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই নতুন আইন ছোট দলের নেতাদের জন্য ভোটারদের কাছে পরিচিতি অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে।