সোনালী ব্যাংক পিএলসি জিএম অফিস চট্টগ্রাম-উত্তর এর জিএম মো: মুছা খান এর নেতৃত্বে আওয়ামী বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাংকার্স বিশাল সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সোনালী ব্যাংক পিএলসি চট্টগ্রাম অঞ্চল। জিএম মুছার নেতৃত্বে সিন্ডকেট এর অন্যান্য সদস্যরা হলো- ১) চট্টগ্রাম জিএম অফিস-উত্তর এর এজিএম ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম এর সহ সভাপতি উজ্জ্বল কান্তি নাথ,২) জিএম মুছার পিএ এসপিও মশিউর রহমান, ৩) বান্দরবান শাখার এজিএম ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম এর কার্যকী সদস্য রাজন কান্তি দাশ, ৪) স্বাধীনতা ব্যাংকার্স চট্টগ্রাম এর সভাপতি আগ্রাবাদ কর্পোরেট শাখার এসপিও খোরশেদ আলম, ৫) রেলওয়ে শাখার এজিএম ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম এর সাধারণ সম্পাদক রানা অমিতাভ দাশ, ৬) বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম কার্যকরী সদস্য এজিএম মাহবুবুল হক,৭) ফ্যাসিট এর দোসর ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর এজিএম ইয়াসির আরাফাত ৭) পিও সাউথ এর এসপিও চন্দন চক্রবর্তী ৮) আগ্রাবাদ কের্পোরেট এর এসপিও ইসমাইল খান চৌধুরী ৯) পিও সাউথ এজিএম মিন্টু রাম দাশ ১০) জিএমও সাউথ এর এজিএম শিউলি বিশ্বাস ১১) জিএমও সাউথ এর সিনিয়র অফিসার রিয়াজ মোর্শেদ ১২) বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম কার্যকরী সদস্য পিও নর্থ এর সিনিয়র অফিসার হুমায়ুন কবির রিপন প্রমুখ।
জিএম মুছার নেতৃত্ব উপরোক্ত সিন্ডিকেট এর অন্যতম সদস্য ও বদলি বানিজ্যের মূলহোতা চট্টগ্রাম জিএম অফিস-উত্তর এর এজিএম ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম এর সহ সভাপতি উজ্জ্বল কান্তি নাথ ও জিএম মুছার পিএ এসপিও মশিউর রহমান। উজ্জল দীর্ঘ সাত বছর ধরে জিএম অফিসে আছে। তার ইশারা ছাড়া জিএম মুছা খান কোন বদলি অর্ডার করেন না। সিনিয়রিটি অনেক পরে হওয়া সত্ত্বেও তিনি দেশি বিদেশী লবিং ব্যবহার করে মেরিট লিস্ট অনুসারে এজিএম হয়েছেন।
জিএম মুছা খানের পিএ এসপিও মশিউর রহমান ২০১৪ সালে।ব্যাংকে যোগদান করেন।
সে মুছা খান এর ক্যাশিয়ার হিসাবে পরিচিত। বদলি সংক্রান্ত যোগাযোগ ও লেনদেন তার মাধ্যমে হয়ে থাকে।
সাম্প্রতিক বান্দরবান শাখার সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ও যুগ্ম জিম্মাদার ক্যাশ স্বরুপ দে এবং এসপিও সুকান্ত বড়ুয়াকে প্রায় লক্ষ টাকার বিনিময়ে পাহাড় থেকে পটিয়া রিজিয়নে বদলি করা হয় যা চট্টগ্রাম এর সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীর মুখে মুখে।
এতবড় জেলা শাখা থেকে টাকার বিনিময়ে কোন কিছুর থোয়াক্কা না করে অর্ডার করে শহরের কাছাকাছি দেয়া হয়েছে।কিন্তু অনেক বছর ধরে পাহাড়ে পড়ে আছে তাদের শহরে বা শহরের কাছাকাছি আনার কোন খবর নাই।
সিন্ডিকেট এর অন্যতম সদস্য বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রামের কার্যকরী সদস্য বান্দরবান শাখার এজিএম রাজন কান্তি দাশ। তিনি অর্থের মাধ্যমে তার পছন্দের লোকদের বদলি ও লোন পাইয়ে দেয়ার ব্যাপারে সহযোগিতা করেন।
তিনি প্রতি সপ্তাহে বান্দরবান থেকে জিএম মুছা খান ও অন্যান্য উধ্বতন নির্বাহীদের জন্য উপটোকন স্বরুপ বিভিন্ন ফল,কাপড় প্রেরণ করেন, যা চট্টগ্রামের সবার কছে জানা।
তার বিরুদ্ধে মুসলিম বিদ্বষী আচরণের অভিযোগ রয়েছে। তার শাখায় কোন মুসলিম কর্মকর্তা/কর্মচারীর কাজ করা খুব কষ্টসাধ্য ও কঠিন। বান্দরবানে তেমন মুসলিম কর্মকর্তা নেই বললেই চলে।
মুছার খানের অন্যতম সহযোগী স্বাধীনতা ব্যাংকার্স চট্টগ্রাম এর সভাপতি আগ্রাবাদ কর্পোরেট শাখার এসপিও খোরশেদ আলম । খোরশেদ আলম উপদেষ্ঠা মাহফুজ আলমের আত্নীয় দাবি করে ব্যাপক খবরদারি জারি রেখেছে।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম এর সাধারণ সম্পাদক রেলওয়ে বিল্ডিং শাখার এজিএম রানা অমিতাভ দাশ। তিনি জিএম মুছা খানের প্রতি সপ্তাহে চট্টগ্রাম টু ঢাকা যাওয়া আসার ট্রেনের টিকেট বিনামূলে অর্থাৎ উপঠোকন হিসেবে ব্যবস্থা করে থাকেন।
মুসা খানের অন্যতম আরেক সহযোগী বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম এর কর্যকরী সদস্য সেন্ট্রাল এর এজিএম মাহবুবুল হক। ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর এজিএম ইয়াসির আরাফাত।।তিনি ৫ আগস্টের পর ভোল পালটে জিয়া পরিষদে নাম লেখান। সম্প্রতি এক ফেস বুক পোস্টে তিনি আওয়ামী লীগের মত বিএনপি নিষিদ্ধকরণ এর দাবি জানান।
আওয়ামী দোসর ছাত্রলীগের একসময়ের ক্যাডার চট্টগ্রাম জিএম মুছা খানকে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে বদলি বানিজ্য ও অন্যান্য অবৈধ সুবিধা প্রদানে সহযৌগিতা করে যাচ্ছেন যথাক্রমে জিএমও সাউথ এর এজিএম শিউলি বিশ্বাস, পিও সাউথ এর এসপিও চন্দন চক্রবর্তী ,আগ্রাবাদ কর্পোরেট এর এসপিও ইসমাইল খান চৌধুরী ,পিও সাউথ এর এজিএম মিন্টু রাম দাশ , জিএমও সাউথ এর সিনিয়র অফিসার রিয়াজ মোর্শেদ , পিও নর্থ এর সিনিয়র অফিসার হুমায়ুন কবির রিপন সহ আরো বেশ কয়েকজন।
বিগত ১৬ বছর ধরে তারা বঙ্গবন্ধু পরিষদ কমিটি গঠন,স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ কমিটি এবং আওয়ামী লীগের হয়ে যেভাবে সক্রিয় ছিলেন ,২০২৪ এর জুলাই অভ্যুথ্যানের পরও তারা তেমনি সক্রিয় আছেন।
বদলি বানিজ্যের কিছু নমুনা:
১) ১৩/০২/২৫ তারিখে দপ্তর নির্দেশ ১২/২০২৫ মোতাবেক সিনিয়র অফিসার ক্যাশ স্বরুপ দে কে আনোয়ারা শাখায়, একই নির্দেশে রতন কুমার দাশকে জিএম অফিস উত্তর এ বদলি করা হয়। ২) ০৮/০৫/২৫ তারিখে দপ্তর নির্দেশ ২০/২০২৫ মোতবেক শুভ মহাজনকে লামা থেকে কালারপুল শাখা,পটিয়ায় বদলি, ২৬/০৬/২০২৫ তারিখে দপ্তর নির্দেশ ২৬/২০২৫ মোতাবেক শিউলি দাশ কে বোয়ালখালী শাখা থেকে জিএম অফিস উত্তর, মমি সেন কে চন্দনাইশ শাখা থেকে শহরের সদরঘাট শাখায় বদলি করা হয়। গত ২৯/০৬/২৫ তারিখে ২৯/২০২৫ দপ্তর নির্দেশ মোতবেক ইমা চক্রবর্তীকে কালাপুল শাখা,পটিয়া থেকে আগ্রাবাদ কর্পোরেট শাখা ও শর্মী সেনকে আনোয়ারা শাখা, পটিয়া থেকে আগ্রাবাদ কর্পোরেট শাখায় বদলি করা হয় । গত ১০/০৭/২০২৫ তারিখে ৩০/২০২৫ দপ্তর নির্দেশ মোতবেক অভিজিৎ চৌধুরী কে আগ্রাবাদ কর্পোরেট থেকে আলী কদম শাখার ম্যানেজার হিসাবে পদায়ন করা হয়।
চট্রগ্রাম অঞ্চলে একটা এস্টাবলিশ অভিযোগ হচ্ছে, এখানে
কোন সাধারণ অর্ডার হয় না। সকল অর্ডারের সাথে টাকার গন্ধ আছে।
অধিকাংশ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ রয়েছে। কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তবে সাবেক ছাত্রলীগের ক্যাডার মুসা খানের বিরুদ্ধে যে কোন সময় কর্মকর্তা কর্মচারীরা ফুসে উঠতে পারেন বলে জানা গেছে।।