কাইয়ূম শরীফ, মুকসুদপুরঃ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন গোপালগঞ্জ -১ প্রচার-প্রচারণায় সবার উপরে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, গণসংযোগের অংশ হিসাবে চষে বেড়াচ্ছেন মুকসুদপুর কাশিয়ানীর গ্রাম থেকে গ্রামে, ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ডে, কখনও খেলার মাঠে, কখনও কখনও সামাজি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে, কখনওবা হাটবাজারে মেহনতি মানুষের পাশে।
কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে মুকসুদপুর কাশিয়ানীর বিএনপিকে একই সুত্রে বেঁধে রেখে আওয়ামী লীগের সমর্থক ও পুলিশের বাঁধা উপেক্ষা করে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন গুলোতে এ এলাকার বিএনপি'র একমাত্র অভিভাবক হিসাবে কর্মীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির এ নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম।
আগামী সংসদ নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন অন্তঃবর্তি কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর সাথে লন্ডনে সাক্ষাতের পর তিনি জানান আগামী বছর ফেব্রুয়ারীর দ্বিতীয় সপ্তাহে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সে লক্ষ্যে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন।
গোপালগঞ্জ -১ নির্বাচনী এলাকা মুকসুদপুর কাশিয়ানীতে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, তাঁর বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন। অবশ্য তাঁর এ প্রচারণা নতুন নয় তিনি বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে সরব ছিলেন। আন্দোলন সংগ্রামে সামনের থেকে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করায় সেলিমুজ্জামান সেলিম এর জুড়ি মেলা ভার। শুধু গোপালগঞ্জ নয় বৃহত্তর ফরিদপুরের সাংগঠনিক কাজের দায়িত্ব পাওয়ার পর ফরিদপুর, রাজবাড়ি, শরিয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি সফল ভাবে পালন করেছেন।
মুকসুদপুর উপজেলার ১টি পৌরসভা সহ ১৬টি ইউনিয়ন ব্যাপি সেলিমুজ্জামান সেলিমের রয়েছে বিশাল কর্মী বাহিনী, এ অঞ্চলের ভটারদের কাছে তাই সেলিমুজ্জামান সেলিম এখন খুবই পরিচিত মুখ, অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র দুএকজন প্রার্থী মাঠে থাকলেও ভোটের মাঠ গরম করে রেখেছেন বিএনপির এ হ্যাবিয়েট নেতা।
২০০৮ সালে বিএনপি থেকে ধানের শিষ প্রতিক নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে জুত করতে নাপারলেও, এবার তাঁকে বয়স ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতায় আগের তুলনায় অনেক পরিপক্ক বলে মনে করছেন ভোটারেরা, তাছাড়া যুব সমাজের উপর রয়েছে তাঁর বিশেষ আধিপত্য।
আওয়ামী অধূসীত এলাকায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকার সুযোগ নিতে চান তাঁর কর্মীবৃন্দ, প্রত্যাশা করছেন ভোটাররা তাঁদের ভোট এবার সৎ পরিশ্রমী স্বচ্ছ রাজনিতীবিদ হিসাবে সেলিমুজ্জামান সেলিমকেই দিবেন, এবং ইতিহাস সৃষ্টির মাধ্যমে ধানের শিষ প্রতিকে জয়ী হয়ে সেলিমুজ্জামান সেলিম সংসদে মুকসুদপুর কাশিয়ানী মেহনতী মানুষের প্রতিনিধিত্ব করবেন।