২৮ সদস্যের এই দলে সবচেয়ে বড় চমক ২১ বছর বয়সী ডিফেন্ডার মারিয়ানো ত্রইলো, রিভার প্লেটের ১৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো ও ইন্ডিপেনদিয়েন্তের ২৩ বছর বয়সী ডিফেন্ডার কেভিন লোমোনাকো। এছাড়া এনজো বারেনেচিয়াকেও দলে রাখা হয়েছ। এর আগে ডাক পেলেও জাতীয় দলে এখনো অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন এই ফুটবলার।
আরেক তরুণ ডিফেন্ডার এরই মধ্যে বেলগারনোর হয়ে নিজের সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছেন। তাইতো বিশ্বকাপের আগে স্ক্যালোনিও তাকে একটু পরীক্ষা করে দেখতে চান। লোমানোকোকেও দলে রাখা হয়েছে এই একই কারণে।
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে সবার আগে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। বাছাইয়ের পয়েন্ট তালিকায় সবার ওপরে আছে আলবিসেলেস্তেরা। ১৪ ম্যাচ শেষে ১০ জয়, ১ ড্র ও ৩ হারে আর্জেন্টিনার পয়েন্ট ৩১। পয়েন্ট তালিকার ২ নম্বরে থাকা ইকুয়েডরের চেয়ে ৮ পয়েন্টে এগিয়ে আছে তারা। অন্যদিকে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল আছে ৪ নম্বরে। ১৪ ম্যাচে ব্রাজিলের পয়েন্ট ২১।
২৮ সদস্যের আর্জেন্টিনা দল-
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, জেরেনিমো রুলি ও ওয়াল্টার বেনিতেজ।
ডিফেন্ডার: মারিয়ানো ত্রইলো, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওটামেন্ডি, নাহুয়েল মলিনা, জুয়ান ফয়েথ, লিওনার্দো বালের্দি, ফাকুন্দো মেদিনা, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, কেভিন লোমোনাকো ও ভ্যালেন্টিন বারকো।
মিডফিল্ডার: লেয়ান্দ্রো পারেদেস, এনজো বারেনেচিয়া, নিকোলাস পাজ, এজেকিয়েল পালাসিওস, রদ্রিগো ডি পল, থিয়াগো আলমাদা, জিওভানি লো সেলসো, এনজো ফার্নান্দেজ।
ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাওতারো মার্টিনেজ, নিকোলাস গঞ্জালেস, গিলিয়ানো সিমিওনে, আনহেল কোরেয়া, ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো।