শামস শামীমঃ
সাবেক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সিলেট অঞ্চলে দায়িত্বে থাকা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাবেক এএসপি নূর হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আয় করে ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, এএসপি নূর হোসেন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতা শেখ সেলিম এবং তৎকালীন আইজিপি শহিদুল হকের ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পদে থেকে প্রভাব বিস্তার করেছেন। একাধিক থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন তিনি।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং আইজিপি শহিদুল হকের গ্রেফতারের পরে নূর হোসেন বেশ কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন। বর্তমানে তিনি খিলগাঁও সিপাহীবাগের হোল্ডিং নং ২৫২/৪ এর নিজস্ব বাসায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
তার নিকট আত্মীয়, রংপুরের এএসপি আক্তার হোসেন তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, ‘আপনি বাসায় থাকুন, কোনো সমস্যা হবে না।’
বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এএসপি নূর হোসেন অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয়ে হয়রানি করতেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারকে নিয়মে পরিণত করেছিলেন।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে তিনি বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। কিছু উল্লেখযোগ্য সম্পদের বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:
খিলগাঁও সিপাহীবাগে হোল্ডিং নং ২৫২/৪-এ তিনটি ফ্ল্যাট।
বাইতুল হুদা জামে মসজিদের রোডে আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় দুটি ফ্ল্যাট।
পাশের ভবনের চতুর্থ তলায় একটি ফ্ল্যাট
হোল্ডিং নং ২৫২/এ, মধু ভিলায় ষষ্ঠ তলায় একটি ফ্ল্যাট।
খিলগাঁও চৌরাস্তার কুমিল্লা হোটেল সংলগ্ন ভবনে একটি ফ্ল্যাট।
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে দুই বিঘা জমি এবং প্রবর্তনা হাউজিং প্রজেক্ট।
শরীয়তপুর রাজনগরে নিজ বাড়িতে বিলাসবহুল ভবন। বিভিন্ন স্থানে বেনামে নাল জমি ক্রয়, এই সকল সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংশ্লিষ্ট মহল।
আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। দুর্নীতীর অর্থের ব্যাপারে সাবেক এ এস পি নুর হোসেনের মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা হবে বলে ফোনটি কেটে দেন ।
বিস্তারিত আসছে পএিকায়।