মো.আজাদ হোসেন
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি :
দেওয়ানগঞ্জ পৌর প্রশাসক মো. শামছুজ্জামান আসিফঘুষ খেয়ে ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করেছে । এমন অভিযোগ তুলেছেন ‘নিউ আশিক বিড়ি ফ্যাক্টরীর’ মালিক মো. জসিম ।
জসিম বলেন, ২০২১ সাল হতে দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার বাজারীপাড়া এলাকায় বিড়ি ফ্যাক্টরী পরিচালনা করে আসছি । দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভা হতে ‘নিউ আশিক বিড়ি ফ্যাক্টরী নামে ট্রেড লাইসেন্স এবং ভ্যাট-টিন রেজিস্ট্রেশন সহ সকল বৈধ কাগজ পত্র আছে । ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক মো. শামছুজ্জামান আসিফ তার স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্সটি বাতিল করেছেন । পৌর কর্তৃপক্ষ নোটিশ পৌছে দিয়েছে চলতি মাসের গত ৭ জানুয়ারি ।
নোটিশ দেরিতে প্রেরনের বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার স্টাফদের কাছে খারাপ আচরনের শিকার হতে হয়। জসিম অভিযোগ করে আরো বলেন, তিনি (পৌর প্রশাসক মো. শামছুজ্জামান আসিফ) দিনাজপুরের মেসার্স আশিক বিড়ি ফ্যাক্টরীর মালিক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ খেয়ে আমার ‘নিউ আশিক বিড়ি ফ্যাক্ট্ররীর’ ট্রেড লাইসেন্সটি বাতিল করেছেন ।
এ বিষয়ে আমি ভ্যাট-ট্র্যাক্স অফিস সহ বিভিন্ন দপ্তরে কথা বলেছি । তারা আমার ব্যবসার বর্ণনা শুনে নিশ্চিত করেছেন ট্রেড লাইসেন্স বাতিল কারার কোন সুযোগ নেই পৌর প্রশাসকের । তারা আরো পরামর্শ দিয়েছেন , পৌর প্রশাসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে । ন্যায় বিচার না পেলে মানববন্ধন সহ আইনের পথে হাঁটবো । কারণ ট্রেড লাইসেন্স বাতিল হলে আমার বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি হবে । বিনা তদন্তে ট্রেডলাইসেন্স বাতিল করলো আমি এর ন্যায় বিচার চাই ।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক মো. শামছুজ্জামান আসিফ এঁর ভাষ্য, মেসার্স আশিক বিড়ি ফ্যাক্টরীর মালিক মো. মোস্তাফিজুর রহমান পৌরসভায় এসে ‘নিউ আশিক বিড়ি ফ্যাক্টরীর’ বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছিলো । তাই ট্রেড লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়েছে ।
জেলা প্রশাসক হাসিনা বেগম বলেন, কপি রাইটসের কোন গ্রাউন্ডে বা অন্য কোন কারণে ট্রেড লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়েছে কী না ? আপনার পৌর প্রশাসকের কাছে জেনে নিন ।