কামরাঙ্গীরচরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদন

Date: 2025-01-04
news-banner

 

আব্দুল্লাহ আল মামুন (প্রধান প্রতিবেদক):

 

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে যত্রতত্র শিশু-খাদ্যসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারি-খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনের অনুমোদনহীন কারখানা গড়ে উঠেছে। কিছু অসাধু ও বিবেকহীন ব্যবসায়ীদের কারনে কামরাঙ্গীরচরের বিভিন্ন অলিতে-গলিতে গড়ে উঠেছে এ ধরণের খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের বেশ কিছু অবৈধ কারখানা।

 

কালি-ঝুলি মাখা এই সমস্ত কারখানাগুলোর ভেতরে-বাইরে ময়লা-আবর্জনাযুক্ত নোংরা পরিবেশ। দুর্গন্ধের ছড়াছড়ি। রয়েছে মশা-মাছির ভনভন আর একাধিক কাঁচা-পাকা টয়লেটের অবস্থান। সেখানেই বেকারি শ্রমিকরা ময়লা কাপড় পড়ে, গ্লাভসবিহীন দুই হাতে আটা-ময়দা দলিত মথিত করে থাকে। তৈরি হয় ব্রেড, বিস্কুট, কেকসহ নানা লোভনীয় খাদ্যপণ্য। অভিযোগ আছে উৎপাদন ব্যয় কমাতে এসব বেকারির খাদ্যপণ্যে ভেজাল আটা, ময়দা, ডালডা, তেল ও পচা ডিমসহ নিম্ন মানের বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

 

উপরের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক বেকারি শ্রমিক কোনো রকম স্বাস্থ্য বিধি না মেনে দুই হাতে টোষ্ট বিস্কুটের সাথে চিনি মিশাচ্ছেন। এটা তার কাছে খুবই সাধারণ বিষয়। গায়ে এপ্রোণ কিংবা এই কাজের জন্য উপযুক্ত বা সুনির্দিষ্ট কোনো পোশাক। উপরন্তু তারা কেউ লুঙ্গি পড়ে, কেউ গামছা পড়ে এবং ময়লা গেঞ্জি গায়ে খালি পায়ে হাটাচলা করছে আর খাদ্য উৎপাদনের কাজ করে যাচ্ছে। খাদ্য উৎপাদনের বিভিন্ন উপাদানের পাশেই রাখা রয়েছে তাদের পায়ের স্যান্ডেল। বেকারির মালিক রয়েছেন, সার্বক্ষণিক দেখাশুনার জন্য ম্যানেজারও রয়েছেন। কিন্তু এসব অনিয়ম দেখার জন্য যেন কেউ নেই।

 

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও গুণগত মান সম্পন্নভাবে প্রস্তুত না হওয়া এসব পণ্য চলে যাচ্ছে ভোক্তার কাছে। না জেনেই এসব মানহীন বেকারির পন্য ক্রয় করে প্রতিনিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন তারা। এ বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দেখুন জাতীয় সাপ্তাহিক “বার্তা বিচিত্রা” পত্রিকার পরের সংখ্যায়। 

Leave Your Comments