কাইয়ূম শরীফঃ
মুকসুদপুর রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেন দুটি স্টুপিজের (বিরতি) দাবিতে ২৮ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় মুকসুদপুর সামাজিক সংগঠন "স্বপ্নপুরের" উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে খুলনা-ঢাকা-খুলনা রুটে এক জোড়া এবং বেনাপোল-ঢাকা-বেনাপোল রুটে এক জোড়া নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
ট্রেন চলাচলকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছিল, অপরদিকে মুকসুদপুরে স্টেশন থকা সত্বেও স্টুপিজ (ট্রেন দাঁড়ানোর) ব্যাবস্থা না থাকায় সাধারন মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক টাকা ব্যয় করে এ নতুন রেলপথের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রেলকর্তৃপক্ষ রেলস্টেশন তৈরি করেছেন। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার মুকসুদপুর রেল স্টেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশন। এখান হতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকে। রেল কর্তৃপক্ষ ঘোষিত সিডিউলে এই স্টেশনে চলাচলকারী "রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস" এবং "জাহানারাবাদ এক্সপ্রেস" নামের দুই জোড়ার ট্রেন এ স্টেশনে স্টুপিজ (দাঁড়ানো) রাখেনি।
জাহানারাবাদ এক্সপ্রেস ৮২৫/২৬ খুলনা-ঢাকা এবং রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস ৮২৭/২৮ নামে দুই জোড়া ট্রেন পদ্মা সেতু হয়ে এ নতুন রেল পথে চলাচল করবে।
রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস যাত্রাবিরতি করবে (আপ ও ডাউন) যশোর জংশন, নড়াইল, কাশিয়ানী জংশন, ভাঙ্গা জংশনে এবং জাহানাবাদ এক্সপ্রেস যাত্রাবিরতি করবে নওয়াপাড়া, সিঙ্গিয়া জংশন, নড়াইল, লোহাগড়া, কাশিয়ানী জংশন ও ভাঙ্গা জংশনে।
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা একটি ঐতিয্যবাহী ও বানিজ্যিক নির্ভর এলাকা হওয়া শর্তেও এ এলাকায় প্রতিষ্ঠিত রেল স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেন দুটির কোন স্টুপিজ রাখা হয়নি, বলে এলাকার ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক গুরুতের কথা বিবেচনা করে এখানে ট্রেন স্টুপিজ রাখার দাবি শুরু থেকেই করে আসছে, এ অঞ্চলের মানুষ।
তারই ধারাবাহিকতায় মুকসুদপুরের সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন স্বপ্নপুর আজকের মানববন্ধনের আয়োজন করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নপুরের মুখপাত্র মাহমুদ সিমান,
উপদেষ্টা মারুফ সরদার,অর্থ সম্পাদক এনায়েত হোসেন, সদস্য প্রবীণ কুমার পাল
রতন,রাফসান সরদার,অমি কাজী ও মাসুমা সোমা প্রমূখ।
মাহমুদ সিমন বলেন মুকসুদপুরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব, ভৌগলিক অবস্থান এবং অত্র অঞ্চলের মানুষের আতিথেয়তা ও সামাজিকতা বিবেচনায় "জাহানারা বাদ এক্সপ্রেস" এবং "রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস" আন্তঃনগর ট্রেন দুইটি মুকসুদপুর রেল
স্টেশনে স্টুপিজ প্রতিষ্ঠা এলাকার সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের দাবী।