নিজস্ব প্রতিবেদক:
নাটোর সদর উপজেলার মদনহাট এলাকায় পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে এই ঘটনা ঘটে। আটক শরিফুল ইসলাম ওই এলাকার আব্বাস আলীর ছেলে এবং স্থানীয় ছাতনী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে পেশায় একটি ফুচকার দোকানের কর্মচারী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি গত মঙ্গলবার বিকেলে তার নানির সঙ্গে ঘাস কাটতে গিয়েছিল।
এ সময় ছাতনী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ফুচকার দোকানের কর্মচারী শরিফুল ইসলাম শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি বুধবার এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সন্ধ্যার দিকে অভিযুক্ত শরিফুলের বাড়িতে গিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে বের করে আনে এবং গণপিটুনি দেয়।
খবর পেয়ে নাটোর সদর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং রক্তাক্ত অবস্থায় অভিযুক্ত শরিফুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা একজন দিনমজুর। তার মেয়ের ওপর এমন পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় এলাকাবাসী অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’