এ আন্দোলনকে বানচাল করতে স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশনের সেবা বন্ধ করতে চাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ফৌজদারী অপরাধ করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হোক।’
টানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঈদের পরে চতুর্থ দিনের মতো বুধবার (১৮ জুন) দুপুরে নগর ভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইশরাক হোসেনের সমর্থকরা।
এ সময় সমর্থকরা দাবি জানান, যারা ইশরাককে শপথ গ্রহণে বাধা দিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
সম্প্রতি সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় ইশরাক ফৌজদারি অপরাধ করছেন বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকার প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
এর প্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে নগর ভবনে এসে ইশরাক বলেন, ফৌজদারি অপরাধ করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হোক। এ সময় তিনি স্থানীয় সরকারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন।
পরে দক্ষিণ সিটির মশা নিধক কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি৷
এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলে জানান রিটকারী আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা।
২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়। তাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশন ২ ফেব্রুয়ারি ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে। এরপর শপথ নিয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তাপস।
সেই নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে তাপস পেয়েছিলেন সোয়া চার লাখ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ইশরাক পান দুই লাখ ৩৬ হাজার ভোট। নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের আগস্ট মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়। এরপর ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন অতিরিক্ত সচিব শাহজাহান মিয়া।
এর মধ্যে গত ২৭ মার্চ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০২০ সালের নির্বাচনে ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণার ফল বাতিল করে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম। আদালত ১০ দিনের মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেন। এ রায় পাওয়ার পর ২৭ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন