তবে ব্লু হাইড্রোজেন (কয়লার সিনগ্যাস থেকে) এর প্রাথমিক উপস্থিতি পেয়েছে জিএসবি, আগামীতে কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে সবিস্তারে কাজ করে প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সরকারি প্রতিষ্ঠান জিএসবি। ব্লু/ব্রাউন হাইড্রোজেন বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ও প্রযুক্তি বিশ্ব বাজারে জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য।
কোথায় থাকে এই হাইড্রোজেন?
এই প্রাকৃতিক হাইড্রোজেন সাধারণত গভীর ভূগর্ভস্থ শিলাস্তরে তৈরি হয়। বিশেষ করে লোহার সংমিশ্রণে পানি প্রবেশ করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এটি তৈরি হতে পারে। অনেক সময় এটি ভূগর্ভস্থ ফাটল, গুহা কিংবা ফাঁপা জায়গায় জমা থাকে। তবে এখনো বিশ্বে এর কোনো ব্যাপক পরিমাণ বাণিজ্যিক উত্তোলন শুরু হয়নি।
ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা
গবেষকরা বলছেন, এই খাতে বিশাল সম্ভাবনা থাকলেও বাস্তবায়নের আগে দরকার আরও মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধান, ভূতাত্ত্বিক জরিপ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা। ভূগর্ভস্থ হাইড্রোজেন উত্তোলনের খরচ, পরিবেশগত প্রভাব ও নীতিগত কাঠামোও বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বিশ্ব এখন জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই শক্তি ব্যবস্থার সন্ধানে আছে। প্রাকৃতিক হাইড্রোজেন হতে পারে একটি স্বল্প-কার্বন ও নিরবচ্ছিন্ন শক্তি উৎস; যা ভবিষ্যতের ‘গ্রিন হাইড্রোজেন ইকোনমি’ গঠনে ভূমিকা রাখবে।