তিনি জানান, প্রথমে ভুক্তভোগী রহিমা সৌদি প্রবাসী স্বামীর জন্য কফিলকে টাকা দিয়েও ভিসা পায় না। পরে বিজ্ঞাপন দেখে শরণাপন্ন হন জিনের বাদশার। এর প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয় দশ লাখ বিশ হাজার টাকা।
এরপর রহিমা বেগমের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযানে নামে পিবিআই। ভোলার বোরহানউদ্দিন থেকে গ্রেফতার করা হয় চক্রের তিন সদস্যকে। উদ্ধার করা হয় চারটি মোবাইল, বিজ্ঞাপনের ছবি ভিডিওসহ প্রতারণায় ব্যবহৃত নানা সরঞ্জাম।
মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন মান্নান বলেন, ‘ বিভিন্ন সময় নারীর কন্ঠে কথা বললেও এই চক্রের সকলেই পুরুষ সদস্য। প্রতারণার কৌশল হিসেবে চটকদারি বিজ্ঞাপন বিভিন্ন টেলিভিশন প্রচার করে প্রতারণা করে আসছিলো এই চক্র।’
২০১৯ সাল থেকে শুরু করে প্রতারণা করে এ পর্যন্ত প্রায় চক্রটি হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক কোটি টাকা।