সিরাজদিখান প্রতিনিধিঃ
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের কয়রাখোলা গ্রামস্থ কয়রাখোলা খালের চলমান খনন প্রকল্পের খননকৃত খালের পাড়ে রাখা অবশিষ্ট মাটি দিনদুপুরে কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দে খাল খননের দায়ীত্ব পায় কয়রাখোলা-টেকেরহাট পানি উন্নয়ন সমবায় সমিতি। সমিতির কাছ থেকে ৫৪ লাখ টাকায় সাব ঠিকাদারী নিয়ে খনন করছেন, বিক্রমপুর ইকুইপমেন্ট সলিউশনের স্বত্বাধিকারী ব্যাবসায়ী বায়েজীদ। তার অগোচরে খালের পাড়ে রাখা মাটি দিনদুপুরে ড্রাম ট্রাকে করে কেটে নিয়ে বিক্রি করছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটটির সদস্যরা।
এ ব্যাপারে বায়েজিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান,মাটি কেউ চুরি করলে সেটার দায় ভার আমার না এবং আমার যানারও কথা না। খালের মাটি চুরির করার মত জঘন্য কাজ কে করছে তা খুজে বের করুন। খাল খনন করে খননকৃত মাটি পাড়ে রাখা পর্যন্তই আমার কাজ।
কয়রাখোলা-টেকেরহাট পানি উন্নয়ন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান বলেন, বর্তমান ইঞ্জিনিয়ার এবং হেড অফিস থেকে মাটি সরিয়ে নিতে বলেছে। যার যার জমিতে আছে তারাই মাটি নিয়ে যাচ্ছে। তথ্য মতে খালের পাড়ের মাটি স্থানীয় একটি মহল বিভিন্ন ইটভাঙা ও বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট বিক্রি করছে। তাহলে কার নির্দেশে তারা মাটি নিচ্ছে এখান থেকে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু আমি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমার নির্দেশ ছাড়া এখান থেকে মাটি কেউকি নিতে পারবে? খালের খনন ও যাবতীয় কাজতো আমার মাধ্যমেই হচ্ছে।
এবিষয়ে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আসিফ উল্লাহর মুঠোফোনে একাধিক বার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।