সম্প্রদায়ের নামে রাজনীতি ও কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ না হলে দেশে শান্তি আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, গৌতম বুদ্ধের অহিংসার বাণী ধারণ করলে বাংলাদেশে সহিংসতা, হত্যা ও দমন-পীড়ন দেখা যেত না।
শনিবার (১০ মে) বালিজুড়ি এফ এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ‘দীর্ঘ দুই যুগ পর মাদারগঞ্জে এফ এম উচ্চ বিদ্যালয়ের এই মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীরা আসতে পারল। মির্জা আজম মাদারগঞ্জে পরিবারতন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ছাড়া করেছিল। শত শত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করেছে। মির্জা আজম তার বাবা যুদ্ধাপরাধী মরহুম মির্জা আবুল কাশেমের দেয়া নাম পরিবর্তন করেছেন। মির্জা আবুল কাশেম ছিলেন স্বাধীনতা বিরোধী। তাই জামায়াতের নেতা গোলাম আজমের নামের সাথে নাম রাখে মির্জা গোলাম আজম। এফিডেভিট করে গোলাম বাদ দিয়ে মির্জা আজম হয়েছেন।’
বিএনপি নেতারা বলেন, ৫ আগস্টের পর হাসিনার সাথে এই মির্জা আজম আত্মগোপনে আছেন। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। না হলে বিএনপি নেতাকর্মীরা শান্তি পাবেনা।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম খান সজিব, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুখলেছুর রহমান।
সম্মেলনে প্রথম অধিবেশন শেষ করে দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতি পদে ২ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন প্রার্থীকে সমঝোতার আহ্বান জানালে তারা ভোটের মাধ্যমে যাবার কথা জানান। পরে কাউন্সিলদের ভোটে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খান ২৫৩ ভোট পেয়ে সভাপতি হন। তার প্রতিদ্ধন্ধী ফায়েজুল ইসলাম লাঞ্জু পেয়েছেন ২২৩ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে মিজানুর রহমান রতন ২৬০ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ২১৫ ভোট।