মাগুরায় আট বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের মত সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিশুটির বোন, প্রতিবেশীসহ ১০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম মুকুল।
এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আসামি হিটু শেখ, তার দুই ছেলে সজীব শেখ, রাতুল শেখ এবং স্ত্রী রোকেয়া বেগমকে আদালতে আনা হয়।
বুধবার মাগুরা ও ফরিদপুর হাসপাতালের চিকিৎসকদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন আইনজীবী মনিরুল ইসলাম মুকুল।
শ্রীপুর উপজেলার আট বছরের শিশুটি ১ মার্চ মাগুরা শহরতলীর নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বড় বোনের বাড়ি বেড়াতে আসে। সেখানে সে ৬ মার্চ ধর্ষণের শিকার হয়। প্রথমে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়।
সবশেষ চিকিৎসারত অবস্থায় ১৩ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শিশুটি মারা যায়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা মাগুরা সদর থানায় মেয়ের শ্বশুর হিটু শেখ, জামাই সজীব শেখ, তার ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা রোকেয়া বেগমের নামে মামলা করেন। পুলিশ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
১৩ এপ্রিল আলোচিত এই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন। আসামি রোকেয়া বেগমকে তথ্য গোপন, সজিব শেখ ও তার ভাই রাতুল শেখের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন অভিযোগ আনা হয়েছে।