খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।”
তিনি আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে খালেদা জিয়া জাতির জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁর সুস্বাস্থ্য দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
সেজন্য প্রয়োজনীয় সকল সমন্বয় ও সহায়তায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
এর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বলেন—
“গত দুইদিন ধরে খালেদা জিয়া আবারও অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। ডাক্তাররা জানিয়েছেন তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়।”
বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে খালেদা জিয়াকে। তাঁর চিকিৎসা চলছে মেডিকেল বোর্ড ও দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে। গত রোববার রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গুলশানের ফিরোজা থেকে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে, সর্বশেষ ১৫ অক্টোবর এক দিনের জন্য এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন।