উত্তরা বিমান বিধস্তে দগ্ধ মাইলস্টোন স্কুলের দশ বছর বয়সী যমজ শিশু সারিনাহ জাহান সায়রা ও সাইবাহ জাহান সায়মা, সাড়ে তিন মাস চিকিৎসা শেষে আজ (১২ নভেম্বর) বাড়ি ফিরেছেন।
দুই শিশুর মধ্যে সায়রা ৩০ শতাংশ এবং সায়মা ১৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, বিমান দুর্ঘটনায় আহত ৫৭ জন এখানে চিকিৎসা নিয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। একজনকে মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তিনজন এখনও চিকিৎসাধীন আছেন, তবে সকলেই আশঙ্কামুক্ত।
আজ সকালে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা দুই শিশুকে বিদায় জানান। পরিচালক নাসির উদ্দিন আহতদের প্রতি আন্তরিক চিকিৎসা ও বিদেশি চিকিৎসকদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি দোতলা ভবনে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধস্ত হয়। এতে মোট ৩৬ জন নিহত এবং ১২৪ জন আহত হন। তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে পাইলটের উড্ডয়ন-ত্রুটি চিহ্নিত করেছে।