বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, সংবিধান সংশোধনী ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে ঐকমত্য গঠনের প্রচেষ্টা সব সময় চলে। তিনি জানান, “গণভোট সংবিধানে নেই। প্রাথমিকভাবে বিএনপি গণভোটের বিরোধিতা করলেও পরে তা মেনে নিয়েছে।”
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে রুমিন ফারহানা বলেন, “প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব এজেন্ডা, বক্তব্য, নীতি ও সংবিধান বিষয়ে মতামত থাকে। জোর করে ঐকমত্য চাপিয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনায় ভিন্ন মত আসবেই। মূল চ্যালেঞ্জ হলো, এসব ভিন্নমতের মধ্যে কতটুকু একমত আনা সম্ভব।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “দলগুলো একেবারেই কোনো বিষয়ে একমত হয়নি এমন নয়। উদাহরণস্বরূপ, এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না—এ বিষয়ে বিএনপি অনেকখানি ছাড় দিয়ে মেনে নিয়েছে।” এছাড়া তিনি জানান, সংসদে উচ্চকক্ষের বিষয়ে দলগুলো একমত হয়েছে, ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী কমিটি ৫-৬টি প্রধান বিরোধী দল থেকে হবে।
রুমিন ফারহানা বলেন, “পিআর সংক্রান্ত বিষয়ে দলগুলো একমত হতে পারে। বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, তবে প্রয়োজন হলে ছাড় দিতে পারে।” তিনি বলেন, “উচ্চকক্ষ ও পিআর নিয়ে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কোনো ধারণা নেই। গণভোট হলে তারা হ্যাঁ বা না ভোট দিয়ে কীভাবে যাবে, সেটার দিকে নজর দিতে হবে।”