যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠকের পর দামেস্ককে সফল করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সোমবার (১০ নভেম্বর) হোয়াইট হাউজে এই ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী নেতা বাশার আল-আসাদকে উৎখাতকারী বিদ্রোহী নেতা শারা’র জন্য এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাজি করানো। যদিও ট্রেজারি বিভাগ সিজার আইন অনুসারে নিষেধাজ্ঞার স্থগিতাদেশ ১৮০ দিনের জন্য বৃদ্ধি করেছে, তবে কংগ্রেসই এগুলো সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করতে পারে।
ট্রাম্প বৈঠকে শারাকে ‘শক্তিশালী নেতা’ হিসেবে প্রশংসা করেন এবং বলেন, “সিরিয়াকে সফল করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।” তবে শারা’র বিতর্কিত অতীতকেও তিনি সমর্থন জানিয়েছেন।
৪৩ বছর বয়সী শারা গত বছর ক্ষমতা গ্রহণ করেন, যখন তার ইসলামপন্থি যোদ্ধারা আকস্মিক আক্রমণ শুরু করে এবং ৮ ডিসেম্বর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদকে উৎখাত করে। বৈঠকে নিরাপত্তা বিষয়ও প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল এবং যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে সম্ভাব্য নিরাপত্তা চুক্তিতে মধ্যস্থতা করছে।
সিরিয়ার তথ্যমন্ত্রী এক্সে জানিয়েছেন, দেশটি সম্প্রতি মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইসলামিক স্টেটকে পরাজিত করার জন্য বিশ্বব্যাপী জোটের সঙ্গে রাজনৈতিক সহযোগিতা ঘোষণা করেছে।