প্রশাসনের আশ্বাসের পর ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিলেন এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এতে স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল।
এরআগে নেতাকর্মীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। এতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবানের ৬ উপজেলার যান চলাচল বন্ধে হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। স্লোগানে উত্তাল রাজপথ। সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ।
এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার সামনে রাস্তা অবরোধ করে দিনভর বিক্ষোভ করেন নেতাকর্মী এবং শিক্ষার্থীরা। এসময় ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।
পরে মিছিল নিয়ে যান চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া বাইপাস সড়কে। সেখানে টায়ার জ্বালিয়ে স্লোগান দেন তারা। এতে বন্ধ হয়ে যায় বান্দরবান, কক্সাবাজার ও চট্টগ্রামের ৬ উপজেলার যান চলাচল। ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীরা। তবে সন্ধ্যার পর প্রশাসনের আশ্বাসে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিলে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।
তবে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে ওসিকে প্রত্যাহার করা না হলে চট্টগ্রাম মহানগর ব্লকেডের ঘোষণাও দেয়া হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর পুরেপুরি সড়ক ছেড়ে গেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীরা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ তার কার্যালয় থেকে নিচে নেমে এসে অবরোধকারী নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নেতাকর্মীরা পটিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অপসারণসহ একগাদা দাবি জানান। এর মধ্যে ডিআইজি ওসিকে ‘তাড়ানোর’ দাবি মেনে নিলে মঙ্গলবার রাতে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে পটিয়া থানায় হস্তান্তর করেন এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। গ্রেফতার না করায় থানার সামনে আন্দোলন করেন তারা। এসময় তাদের উপর পুলিশ লাঠি চার্জ করে।