ত্যাগে অনড়, সংগ্রামে অদম্য সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান মিয়া, ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছিলেন আপসহীন

Date: 2025-06-21
news-banner

নুর-আমিন,খানসামা,দিনাজপুর,প্রতিনিধি; 


বিএনপির দুঃসময়ে নেতৃত্ব, ত্যাগ ও সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে যিনি পরিচিত,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য মো.আখতারুজ্জামান মিয়া।
রাজনৈতিক দমন-পীড়নের দীর্ঘ অধ্যায় পেরিয়েও যিনি কখনও রাজপথ ছাড়েননি। ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে এই বিএনপি নেতা কারা বরণও করেছেন। 

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর ও খানসামা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার 
তিনি সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে গ্রামে-গঞ্জে সভা-সমাবেশ, গনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। এলাকাবাসির অভিমত আখতারজ্জামান মিয়া নির্বাচিত হলে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে। তার প্রতি সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন রয়েছে।


তিনি চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতীরা ইউনিয়নের  দক্ষিণ পলাশবাড়ী গ্রামের এই কৃতী সন্তান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবর্ষ ১৯৭৮-৭৯ থেকে অ্যাকাউন্টিং এবং তথ্য সিস্টেমে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী আর্জন করে।

আখতারুজ্জামান মিয়া রাজনীতিতে পথচলা শুরু হয়,১৯৬৫ সালে।বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।  

২০০১ সালের নির্বাচনে আখতারুজ্জামান মিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে চার দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছিলেন।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে চার দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে দিনাজপুর-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।

ব্যক্তিজীবনে তিনি সদালাপী, নিবেদিতপ্রাণ ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত। নিজের সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিএনপি-ই আমার জীবন, বিএনপি-ই আমার মরণ। শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজনীতির মাঠে আজীবন থাকতে চাই"।

বিএনপির ঘাত-প্রতিঘাতে টিকে থাকা ও সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আখতারুজ্জামান মিয়ার অবদান খানসামা-চিরিরবন্দরের তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তাঁকে পরিণত করেছে এক সাহসী কান্ডারীতে।


দল যখন সংকটে, নেতৃত্ব যখন ঝুঁকির মুখে—তখনই সামনে দেখা গেছে আখতারজ্জামান মিয়াকে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষায়, তিনি শুধু নেতা নন, আন্দোলনের মুখ। তিনি থাকলে আমরা সাহস পাই।


বিএনপির দলীয় হাই কমান্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে যাকে মনোনয়ন দিলে সাধারণ ভোটাররা খুশি হবে, এমন প্রার্থীর হাতেই নির্বাচনি টিকিট দেবে বিএনপি। তবে এক্ষেত্রে মৌলিক নীতি অনুসরণ করা হবে। এজন্য প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে নীতি হিসাবে তিনটি যোগ্যতাকে অন্যতম মানদণ্ড হিসাবে সেট করা হয়েছে। এগুলো হলো- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই-সংগ্রামে দেশ ও দলের যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন, দ্বিতীয়ত, যিনি সততার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং এলাকার জনগণের কাছে একজন ভালো মানুষ হিসাবে সুপরিচিত। তৃতীয়ত, ভোটের রাজনীতিতে যিনি তার নির্বাচনি এলাকায় বেশি জনপ্রিয়। এই তিনটি মানদন্ডে একক ও অভিন্ন নেতা হিসেবে আখতারুজ্জামান মিয়ার নাম উঠে আসে।

বার্তা প্রেরকঃ 

Leave Your Comments