পঞ্চগড় সদরের পৃথক দুই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে নারী- শিশুসহ ২৬ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।সোমবার (২ জুন) গভীর রাতে পুশইনের এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের মঙ্গলবার (৩ জুন) ভোরে হাড়িভাষা ইউনিয়নের বড়বাড়ি ও চাকলাহাট ইউনিয়নের খুনিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।
জানা গেছে, আটরা ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে ভারতে অবস্থান করে আসছিলেন। গত ২৮ মে ভারতীয় সিআইডি পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে কলকাতায় নিয়ে যায়। পরে বিমানে বাগডোগরায় এনে বিএসএফের কাছে তুলে দেয় তারা। পরে পঞ্চগড় সীমান্তে এনে বাংলাদেশে পুশইন করে বিএসএফ। এরপর দুপুরে তাদের পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি।
আটকদের মধ্যে শিশু রয়েছে ৯ জন, নারী ৯ জন ও পুরুষ আটজন।
জানা গেছে, আটকরা সবাই বাংলাদেশি। তাদের বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেরশ্বরী ও ফুলবাড়ি উপজেলার বাসিন্দা।
এ বিষয়ে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদোজা বিষয়টি নিশ্চিত করে সময় সংবাদকে বলেন, ঘটনার পর আমরা বিএসএফের সঙ্গে কোম্পানি পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করেছি। একইসঙ্গে জিডি মূলে আটকদের থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান সময় সংবাদকে বলেন, ‘বিওপির সদস্যরা ভারত থেকে পুশইন হওয়া রত্নীবাড়ি ক্যাম্প থেকে ১৭ জন ও ঘাগড়া ক্যাম্প থেকে ৯ জনসহ ২৬ জনকে নিয়ে আসে। আমরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে আপাতত তাদের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করবো। তারা প্রকৃতভাবে বাংলাদেশি নাগরিক কি না তা যাচাই-বাছাই করবো। এরপর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’