রিকশা চালিয়েও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা!

Date: 2022-10-03
news-banner

মোস্তাকিমের বাবার তখন ভীষণ অসুখ, দুর্ভাগ্য এমনই একই সময় মা-ও শয্যাশায়ী। মা-বাবার ওষুধপত্র, সংসারের নিত্যদিনের খরচ একটা হার্ডওয়্যারের দোকানে কাজ করে মেটাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন মোস্তাকিমের বড় ভাই জাহিদুল। স্কুল বাদ দিয়ে মোস্তাকিমই তাই একদিন বাবার রিকশাটা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, মাস কয়েক।জাতীয় ব্যাডমিন্টনের তারিখ ঘোষণা হয়েছে সে সময়। কিন্তু ঢাকায় এসে মোস্তাকিম সেই প্রস্তুতি নেবে, না মা-বাবাকে দেখবে? মোস্তাকিমের আসা হয় না।


‘বেশ কিছুদিন রিকশাই চালিয়েছি আমি। ন্যাশনালে অংশ নিতে পারিনি। অনুশীলনই তো করতে পারিনি। বিষয়টা নজরে পড়ে আমাদের বিরামপুরের (দিনাজপুর) শিক্ষা অফিসারের। উনিই পরে ডেকে নিয়ে আমার ফ্যামিলিকে কিছু অর্থ সাহায্য করেন। আর আমাকে থাকা-খাওয়ার খরচ দিয়ে পাঠান ঢাকায়’—বলছিল মোস্তাকিম। 


ঢাকারই একটি একাডেমিতে খেলা শিখেছে সে বিরামপুরের আরেক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে। বিরামপুর কলেজিয়েট স্কুলের হয়ে এ বছরের শুরুতে আন্ত স্কুল ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নও হয় সে সারা বাংলাদেশের মধ্যে। এমন একটি ছেলের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াটা দায়িত্বই মনে করেছিলেন শিক্ষা অফিসার পরিমল কুমার সরকার।

Leave Your Comments